নিউজ ডেস্ক :: দেশের অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও সামাজিক নিরাপত্তার অভাবে সাধারণ মানুষ ক্রমেই বিপর্যয়ের মুখে পড়ছে। এক বছর আগে দেশের প্রতিটি এলাকা কর্মচঞ্চল্য ও জীবনের স্বাভাবিক গতিতে এগোচ্ছে। তবে অবৈধ ইউনুস সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে অর্থনীতি ধ্বংসের পথে। বাংলাদেশে গত এক বছরে আত্মহত্যার সংখ্যা প্রায় ১৫% বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে মূল কারণ হিসেবে দারিদ্র্য, ঋণ বোঝা এবং আর্থিক অনিশ্চয়তা চিহ্নিত।
সম্প্রতি মানিকগঞ্জ জেলায় ঘটে গেল এক মর্মান্তিক ঘটনা। এনজিও কিস্তি বাকি থাকার কারণে এক পরিবার চরম মানসিক চাপের শিকার হয়ে ঘরের দরজা বন্ধ করেন। স্ত্রী দুই সন্তানকে বিষ খাইয়ে হত্যা করেন এবং নিজেও বিষ পান করেন। স্থানীয় হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নিহত তিনজনই ৩০ বছরের নিচে।
ঘটনাস্থলে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী মৃতদেহগুলো ময়না তদন্তের জন্য সবশ্লিষ্ট হাসপাতালে পাঠিয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, পরিবারটি দীর্ঘদিন আর্থিক সমস্যায় ভুগছিল। গত বছর মানিকগঞ্জে এনজিও ঋণ ও আর্থিক চাপের কারণে অন্তত ৫টি আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে, যা সামগ্রিক জাতীয় চিত্রের এক ছোট অংশ মাত্র।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশে ৪৫% নিম্ন আয়ের মানুষ মাসিক ঋণ বা কিস্তি পরিশোধে অক্ষম, যা মানসিক চাপ ও হতাশা বাড়াচ্ছে। এটি শুধু মানিকগঞ্জ নয় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেও এমন ঘটনা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
মানিকগঞ্জের এই মর্মান্তিক ঘটনা এক কঠিন বার্তা দেয় অল্প আর্থিক চাপও কখনো কখনো জীবনকেই হুমকির মুখে ফেলে। দেশের অর্থনীতি ধ্বংস হলে সাধারণ মানুষ যে বিপর্যয়ে পড়ে, তার প্রমাণ এই পরিবারই।
দেশকে সচল করতে এখন প্রয়োজন দায়িত্বশীল, দেশপ্রেমিক সরকার, যা সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। অবৈধ সরকার পরিবর্তনের জনদাবী অবিলম্বে বাস্তবায়ন না হলে, দেশের সাধারণ মানুষ ক্রমশ বিপর্যয়ের মুখে পড়বে।
আরিফুল হক, মানিকগঞ্জ 









