খালেদা জিয়ার মৃত্যুর প্রশ্নে আর নীরবতা নয়,রাজপথের দাবি—ইউনুসকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতেই হবে

নিউজ ডেস্ক :: বাংলাদেশ আজ এক ভয়ংকর প্রশ্নের মুখোমুখি। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হঠাৎ অসুস্থতা ও মৃত্যু কি কেবল নিয়তির পরিহাস, নাকি একটি নির্মম রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র? লাখ লাখ ক্ষুব্ধ সমর্থক আজ রাজপথে, এক কণ্ঠে বলছে—এই মৃত্যুর দায় এড়াতে পারে না ড. ইউনুস।
আন্দোলনকারীদের প্রথম ও সবচেয়ে জোরালো প্রশ্ন—
ওসমান হাদীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর পাঠানো হলো, অথচ মৃত্যুপথযাত্রী খালেদা জিয়াকে কেন পাঠানো হলো না?
এই প্রশ্নের কোনো গ্রহণযোগ্য উত্তর আজও নেই। সমর্থকদের দাবি, “ভিসা জটিলতা” ছিল একটি সাজানো অজুহাত। বাস্তবে তাঁকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ না দেওয়াই ছিল পরিকল্পনার অংশ।
অভিযোগ আরও ভয়াবহ। বলা হচ্ছে, খালেদা জিয়াকে পরিকল্পিতভাবে একটি সেনা-সম্পর্কিত অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয় এবং সেখানে পরিবেশিত খাবারের মাধ্যমে তাঁকে অসুস্থ করা হয়। এরপর শুরু হয় চিকিৎসা নিয়ে গড়িমসি, তথ্য গোপন এবং ধীরে ধীরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের অপচেষ্টা। আন্দোলনকারীদের ভাষায়, এই নীরব অপরাধের কেন্দ্রবিন্দুতেই ছিলেন ড. ইউনুস।
সবচেয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ—এই মৃত্যুর পেছনে ছিল রাজনৈতিক লাভের নীলনকশা। ক্ষুব্ধ সমর্থকদের দাবি, ড. ইউনুস চেয়েছিলেন খালেদা জিয়ার মৃত্যু হলে সহানুভূতির ঢেউয়ে বিএনপি ক্ষমতায় আসবে, আর সেই রাজনৈতিক পালাবদলের সুযোগে তিনি নিজেকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার পথ খুলে নেবেন। এই ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষাই একটি জাতীয় নেত্রীর জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
রাজপথে নামা মানুষ বলছে, এটি আর কোনো দলের বিষয় নয়—এটি ন্যায়বিচারের প্রশ্ন। একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যু যদি এভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয় এবং অভিযুক্তরা দায়মুক্ত থাকে, তবে এই রাষ্ট্রে কার জীবন নিরাপদ?
জনতার কণ্ঠে এখন একটাই দাবী
স্বাধীন, আন্তর্জাতিক মানের তদন্ত কমিশন গঠন করতে হবে, ড. ইউনুসকে জবাবদিহির আওতায় আনতেই হবে।
এই দাবি কোনো প্রতিশোধের নয়, এই দাবি ইতিহাসের কাছে জবাবদিহির।
খালেদা জিয়ার মৃত্যু ভুলে গেলে, গণতন্ত্রই আমাদের ক্ষমা করবে না।

Tag :

কমেন্ট করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

Glorifying War Criminals in an Illegal Parliament During the Month of Independence: A Shameful Chapter in History and an Ultimate Act of National Betrayal

খালেদা জিয়ার মৃত্যুর প্রশ্নে আর নীরবতা নয়,রাজপথের দাবি—ইউনুসকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতেই হবে

Update Time : 06:36:08 am, Wednesday, 31 December 2025

নিউজ ডেস্ক :: বাংলাদেশ আজ এক ভয়ংকর প্রশ্নের মুখোমুখি। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হঠাৎ অসুস্থতা ও মৃত্যু কি কেবল নিয়তির পরিহাস, নাকি একটি নির্মম রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র? লাখ লাখ ক্ষুব্ধ সমর্থক আজ রাজপথে, এক কণ্ঠে বলছে—এই মৃত্যুর দায় এড়াতে পারে না ড. ইউনুস।
আন্দোলনকারীদের প্রথম ও সবচেয়ে জোরালো প্রশ্ন—
ওসমান হাদীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর পাঠানো হলো, অথচ মৃত্যুপথযাত্রী খালেদা জিয়াকে কেন পাঠানো হলো না?
এই প্রশ্নের কোনো গ্রহণযোগ্য উত্তর আজও নেই। সমর্থকদের দাবি, “ভিসা জটিলতা” ছিল একটি সাজানো অজুহাত। বাস্তবে তাঁকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ না দেওয়াই ছিল পরিকল্পনার অংশ।
অভিযোগ আরও ভয়াবহ। বলা হচ্ছে, খালেদা জিয়াকে পরিকল্পিতভাবে একটি সেনা-সম্পর্কিত অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয় এবং সেখানে পরিবেশিত খাবারের মাধ্যমে তাঁকে অসুস্থ করা হয়। এরপর শুরু হয় চিকিৎসা নিয়ে গড়িমসি, তথ্য গোপন এবং ধীরে ধীরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের অপচেষ্টা। আন্দোলনকারীদের ভাষায়, এই নীরব অপরাধের কেন্দ্রবিন্দুতেই ছিলেন ড. ইউনুস।
সবচেয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ—এই মৃত্যুর পেছনে ছিল রাজনৈতিক লাভের নীলনকশা। ক্ষুব্ধ সমর্থকদের দাবি, ড. ইউনুস চেয়েছিলেন খালেদা জিয়ার মৃত্যু হলে সহানুভূতির ঢেউয়ে বিএনপি ক্ষমতায় আসবে, আর সেই রাজনৈতিক পালাবদলের সুযোগে তিনি নিজেকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার পথ খুলে নেবেন। এই ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষাই একটি জাতীয় নেত্রীর জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
রাজপথে নামা মানুষ বলছে, এটি আর কোনো দলের বিষয় নয়—এটি ন্যায়বিচারের প্রশ্ন। একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যু যদি এভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয় এবং অভিযুক্তরা দায়মুক্ত থাকে, তবে এই রাষ্ট্রে কার জীবন নিরাপদ?
জনতার কণ্ঠে এখন একটাই দাবী
স্বাধীন, আন্তর্জাতিক মানের তদন্ত কমিশন গঠন করতে হবে, ড. ইউনুসকে জবাবদিহির আওতায় আনতেই হবে।
এই দাবি কোনো প্রতিশোধের নয়, এই দাবি ইতিহাসের কাছে জবাবদিহির।
খালেদা জিয়ার মৃত্যু ভুলে গেলে, গণতন্ত্রই আমাদের ক্ষমা করবে না।