মোনামী ডিপস্টেটের এজেন্ট, সেলিম কি জামায়াতের সহযোগী?

নিউজ ডেস্ক::তথাকথিত শিক্ষক মোনামী ও তাঁর সহযোগীরা একটি বিতর্কিত “শিক্ষক নেটওয়ার্ক”-এর সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ উঠেছে। এই নেটওয়ার্ক নাকি আগস্ট-২৪ তারিখে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলো। অভিযোগকারীরা বলছেন, সবটাই ছিলো ডিপস্টেটের ডলারের খেলা।

এদিকে আলোচনায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের বামপন্থী রাজনীতির পরিচিত মুখ, সিপিবি নেতা মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম। প্রশ্ন উঠেছে—তিনি কি জামায়াত-শিবিরের এজেন্ট হয়ে কাজ করছেন?

ডাকসু নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগকে ঘিরে অভিযোগ উঠেছে মোটা অংকের টাকা লেনদেনের। রাজনৈতিক মহলে বলা হচ্ছে, এবারের নির্বাচনে কিছু প্রার্থী জামায়াত-শিবিরের অর্থে প্রভাবিত হয়ে দাঁড়িয়েছেন। এর মধ্যেই আলোচনায় এসেছে প্রার্থী মেঘমল্লার বসুর নাম, যিনি নাকি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিমের মাধ্যমে টাকা গ্রহণ করেছেন।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের এমপি শশী থারুরের একটি বক্তব্যকে অজুহাত করে টাকা খাওয়ার বৈধতা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে বলে সমালোচনা উঠেছে। তবে এই প্রক্রিয়াকে দেশের স্বার্থবিরোধী ও বিশ্বাসঘাতকতার দৃষ্টান্ত হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

একে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের ঝড় বইছে—ডিপস্টেট, জামায়াত এবং দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, সবকিছু মিলেমিশে যেন এক অন্ধকার চক্রের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

Tag :

কমেন্ট করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

Glorifying War Criminals in an Illegal Parliament During the Month of Independence: A Shameful Chapter in History and an Ultimate Act of National Betrayal

মোনামী ডিপস্টেটের এজেন্ট, সেলিম কি জামায়াতের সহযোগী?

Update Time : 04:42:13 pm, Saturday, 13 September 2025

নিউজ ডেস্ক::তথাকথিত শিক্ষক মোনামী ও তাঁর সহযোগীরা একটি বিতর্কিত “শিক্ষক নেটওয়ার্ক”-এর সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ উঠেছে। এই নেটওয়ার্ক নাকি আগস্ট-২৪ তারিখে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলো। অভিযোগকারীরা বলছেন, সবটাই ছিলো ডিপস্টেটের ডলারের খেলা।

এদিকে আলোচনায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের বামপন্থী রাজনীতির পরিচিত মুখ, সিপিবি নেতা মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম। প্রশ্ন উঠেছে—তিনি কি জামায়াত-শিবিরের এজেন্ট হয়ে কাজ করছেন?

ডাকসু নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগকে ঘিরে অভিযোগ উঠেছে মোটা অংকের টাকা লেনদেনের। রাজনৈতিক মহলে বলা হচ্ছে, এবারের নির্বাচনে কিছু প্রার্থী জামায়াত-শিবিরের অর্থে প্রভাবিত হয়ে দাঁড়িয়েছেন। এর মধ্যেই আলোচনায় এসেছে প্রার্থী মেঘমল্লার বসুর নাম, যিনি নাকি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিমের মাধ্যমে টাকা গ্রহণ করেছেন।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের এমপি শশী থারুরের একটি বক্তব্যকে অজুহাত করে টাকা খাওয়ার বৈধতা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে বলে সমালোচনা উঠেছে। তবে এই প্রক্রিয়াকে দেশের স্বার্থবিরোধী ও বিশ্বাসঘাতকতার দৃষ্টান্ত হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

একে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের ঝড় বইছে—ডিপস্টেট, জামায়াত এবং দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, সবকিছু মিলেমিশে যেন এক অন্ধকার চক্রের ইঙ্গিত দিচ্ছে।