নিউজ ডেস্ক :: একটি রাজনৈতিক দলের নৈতিক পতনের সবচেয়ে বড় প্রমাণ হলো সেই দল থেকে নারীরা নীরবে, একের পর এক সরে যাওয়া। এনসিপির ক্ষেত্রে আজ সেটাই ঘটছে। প্রশ্ন করার সময় আর নেই, কারণ প্রশ্নের উত্তর নারীদের পদত্যাগেই স্পষ্ট।
এনসিপি এখন আর আদর্শের দল নয় এটি ক্ষমতার আড়ালে গড়ে ওঠা এক অনিরাপদ পুরুষতান্ত্রিক বলয়ের নাম, যেখানে নারীদের সম্মান নয়, নীরবতাই চাওয়া হয়। অভিযোগ উঠছে, রাজনীতির ছত্রছায়ায় নারীদের ওপর মানসিক চাপ, অসম্মান ও ভয়ভীতির সংস্কৃতি তৈরি করা হয়েছে। কথা বললেই চরিত্র হনন, দলীয় চাপ, সামাজিক হুমকি এই বাস্তবতায় নারীরা মুখ খুলতে পারছে না।
যে দল মুখে মুখে নারী অধিকার বলে, সেই দলেই নারীরা নিরাপদ নয়—এটা শুধু ভণ্ডামি নয়, এটি রাজনৈতিক অপরাধ।
আরও লজ্জাজনক হলো, এনসিপির ভেতরে গড়ে ওঠা কিছু কুলাঙ্গার সুবিধাবাদীর উত্থান। যাদের একসময় তিন বেলা খাবার জুটত না, আজ তারা ক্ষমতার লোভে উন্মত্ত। কোটি টাকার লেনদেন, মদ ও নারীভোগের অভিযোগ—এসবই এখন এনসিপির অঘোষিত পরিচয় হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে অনেকে বলছেন। রাজনীতি যখন চরিত্র গঠনের জায়গা না হয়ে ভোগের লাইসেন্সে পরিণত হয়, তখন সেখানে নারীরা সবচেয়ে বেশি শিকার হয়।
নারীরা এনসিপি ছাড়ছেন ভয়ে নয় আত্মসম্মান নিয়ে বাঁচার জন্য। তারা জানে, এই দলে থেকে সম্মান পাওয়া যাবে না, ন্যায়বিচার পাওয়া যাবে না, বরং নীরব থাকাই “নিরাপদ” বলে চাপ সৃষ্টি করা হবে।
এনসিপির নেতৃত্ব আজ দায় এড়াতে পারে না।
একটা স্পষ্ট সত্য সামনে এসেছে—
*এনসিপি নারীদের জন্য অনিরাপদ।
*এনসিপি নারীদের কণ্ঠ রোধ করে।
*এনসিপি ক্ষমতার নেশায় অন্ধ কিছু মানুষের আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছে।
যে দলে নারীরা নিরাপদ নয়, সে দল সমাজ বদলাবে এমন দাবি করা প্রতারণা ছাড়া কিছুই নয়। ইতিহাস সাক্ষী থাকবে নারীরা যখন নীরবে দল ছাড়ে, তখন সেই দল আসলে অনেক আগেই নৈতিকভাবে পরাজিত হয়ে যায়।
শিরোনাম :
নারীদের জন্য এনসিপি এখন ভয়ংকরভাবে অনিরাপদ
-
সুবির কুমার, - Update Time : 09:59:45 am, Monday, 29 December 2025
- 77 Time View
Tag :
জনপ্রিয়










