নিজস্ব প্রতিবেদক:
মাত্র দুই দিনে (২ ও ৩ সেপ্টেম্বর) সারাদেশে ১৩টি হত্যাকাণ্ড ও লাশ উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে। বিভিন্ন জেলার এ হত্যাকাণ্ডগুলোতে ছিনতাই, পারিবারিক কলহ, প্রেমঘটিত দ্বন্দ্ব থেকে শুরু করে জমি-বিরোধ ও সংঘর্ষের মতো নানা কারণ জড়িত। একের পর এক লাশ উদ্ধারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।
ঘটনাগুলো এক নজরে:
নড়াইল: নিখোঁজের চার দিন পর কালিয়ায় এক নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার।
চট্টগ্রাম (পটিয়া): ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে নিহত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক।
চট্টগ্রাম (কর্ণফুলী): গৃহবধূর গলাকাটা লাশ, স্বামীকে আহত অবস্থায় ঝুলতে দেখে উদ্ধার।
নাটোর: জনসেবা হাসপাতালের মালিক চিকিৎসক আমিরুল ইসলামকে চাকরিচ্যুত কর্মচারী বোরকা পরে ঢুকে গলা কেটে হত্যা।
ঢাকা (দক্ষিণখান): পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী মাসুদের হাতে স্ত্রী আকলিমা খুন।
বগুড়া: তালাকপ্রাপ্ত নারী শাহিনুর বেগম হাত-পা বেঁধে শ্বাসরোধে খুন।
চট্টগ্রাম (চন্দনাইশ): স্ত্রী হত্যায় যুবক রিজুয়ান গ্রেফতার।
ফরিদপুর (সালথা): স্বামী বক্কার শেখের হাতে স্ত্রী মর্জিনা বেগম খুন।
সিলেট (সুবিদবাজার): দশ বছরের শিশু সামিউলের লাশ বাসার বাথরুম থেকে উদ্ধার।
হবিগঞ্জ (নবীগঞ্জ): টমটম–সিএনজি ভাড়া নিয়ে বিরোধে সংঘর্ষ, নিহত ১, আহত ৫০ জন।
সিলেট (শাহপরান): পারিবারিক দ্বন্দ্বে ছেলের হাতে মা রহিমা বেগম খুন।
নারায়ণগঞ্জ (রূপগঞ্জ): দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে নিহত টেইলার্স ব্যবসায়ী মেহেদী।
সাতক্ষীরা (আশাশুনি): মাছের পোনা ব্যবসায়ী বিজন কুমার দে’র লাশ রাস্তার পাশে উদ্ধার।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, বেশ কয়েকটি ঘটনায় জড়িতদের আটক করা হয়েছে। তবে পরপর এ ধরনের হত্যাকাণ্ডে সারাদেশে জনমনে ভয় ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
জানু চৌধুরী 









