নিউজ ডেস্ক ::জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ডস্বরূপ প্রতিষ্ঠান। এ সংস্থার উপর নির্ভর করে রাষ্ট্রের উন্নয়ন, বাজেট বাস্তবায়ন ও ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক পরিকল্পনা। অথচ এই প্রতিষ্ঠানকেই আজ ঘিরে তৈরি হয়েছে তীব্র বিতর্ক।
এনবিআরের বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ আবদুর রহমান খান বিগত সরকারের আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত একমাত্র কর্মকর্তা হিসেবে এখনো বহাল রয়েছেন। কিন্তু তার দক্ষতা নয়, বরং নানা অভিযোগই এখন তার টিকে থাকার প্রধান কারণ হিসেবে আলোচিত হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি রাজনৈতিক স্বার্থে ও ব্যক্তিগত অবস্থান রক্ষার্থে বিপুল অঙ্কের অর্থ লেনদেনে যুক্ত। এনসিপির জন্য প্রায় ২,০০০ কোটি টাকা ফান্ড সংগ্রহে তার ভূমিকার কথা শোনা যায়। এমনকি নিজের পদ টিকিয়ে রাখতে তিনি প্রভাবশালী উপদেষ্টা ও রাজনৈতিক নেতাদের হাতে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা দিয়েছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
জনগণের কষ্টার্জিত অর্থে রাজস্ব আহরণ করার কথা যেখানে, সেখানে দেখা যাচ্ছে অনিয়ম আর দুর্নীতির ছায়া। গত অর্থ বছরে ৭০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি দেখানো হয়েছে, যা অনেকের কাছে অনিয়মের সরাসরি প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে—যিনি বারবার ব্যর্থতা ও অযোগ্যতার ছাপ রেখেছেন, তাকে কেন বহাল রাখা হচ্ছে? এর উত্তর স্পষ্ট—তিনি রাজস্ব চুরির কৌশলে পারদর্শী এবং ক্ষমতাসীন গোষ্ঠীর স্বার্থরক্ষায় দক্ষ।
একটি রাষ্ট্রের জন্য সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি হলো যখন জনগণের টাকার পাহারাদারই লুটের অভিভাবকে পরিণত হয়। এনবিআর যদি দুর্নীতির কারখানায় পরিণত হয়, তবে রাষ্ট্রের অর্থনীতি স্থিতিশীল থাকার কোনো উপায় নেই। আজ সময় এসেছে সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে রাজস্ব খাতকে উদ্ধার করার।
নিউজ ডেস্ক 









