নিউজ ডেস্ক::অবৈধ অস্ত্র ও সন্ত্রাস দেশে গণতন্ত্রের নিরাপত্তা হুমকির মুখে দেশজুড়ে অবৈধ অস্ত্রের উপস্থিতি ও সন্ত্রাসের ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা গভীর হুমকির মুখে। সম্প্রতি একাধিক হামলার প্রেক্ষাপটে দেখা গেছে, হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্রগুলো সম্পূর্ণ অবৈধ। তদন্তে জানা গেছে, এই হামলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছে কথিত বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা। শিক্ষাঙ্গন নয়, সাধারণ জনগণের মধ্যেও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।
*রাজনৈতিক ছায়ার মধ্যে অস্ত্রের ঝনঝনানি*
দেশব্যাপী অবৈধ অস্ত্রের প্রাপ্যতা উদ্বেগজনক। কথিত ছাত্রনেতাদের হাতেও অস্ত্রের ঝনঝনানি রয়েছে। তবে এর পেছনে রয়েছে রাজনৈতিক শিবিরের ছায়া,বিশেষ করে জামাত, শিবির, এনসিপি ও বিএনপি’র নেতারা এই অস্ত্রগুলো মজুদ রাখছেন। তদন্তে উঠে এসেছে, থানায় লুট হওয়া অস্ত্রগুলোর একটি বড় অংশও এই রাজনৈতিক শিবিরের হাতে চলে গেছে।
বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, এনসিপির নেতাদের ছায়াতলে হাজার হাজার অবৈধ অস্ত্র সংরক্ষিত। এর ফলে সাধারণ মানুষ এবং সৎ রাজনৈতিক নেতাদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করা কঠিন। যদি অবৈধ অস্ত্র ও সন্ত্রাসের প্রবণতা অব্যাহত থাকে, তা গণতন্ত্র, সামাজিক শান্তি ও সাধারণ মানুষের জীবনকে সরাসরি হুমকির মুখে ফেলবে।
*লাইব্রেরি লুট ও জঙ্গি হামলা*
রাজধানীর রাজউক উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রজেক্ট আবাসিক এলাকায় উন্মুক্ত পাঠাগার ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। হামলাকারীরা অভিযোগ করেছেন, লাইব্রেরিতে “আওয়ামী লীগের দোসররা আড্ডা দেয়” এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে হামলা চালানো হয়। ঘটনার পেছনে রয়েছে জঙ্গিদের নেতা ইউনূসের সমন্বয়ক বাহিনী। বই, আসবাবপত্র এবং ইলেকট্রনিক সরঞ্জামসহ প্রায় আড়াই লাখ টাকার সম্পদ ধ্বংস হয়েছে।
*প্রশাসনের ব্যর্থতা ও জনগণের আতঙ্ক*
দুর্ভাগ্যজনকভাবে, পুলিশ এখন সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা রক্ষা না করে বিএনপি, জামাত, এনসিপি ও জঙ্গিদের রক্ষায় পাহারাদার। এর ফলে নিরাপত্তাহীনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং জনগণ হতাশ ও আতঙ্কিত।
*তাত্ক্ষণিক পদক্ষেপের আহ্বান*
অবৈধ অস্ত্রের যোগানদাতা ও ব্যবহারকারীদের শনাক্ত ও দমন করা
শিক্ষাঙ্গন ও সাধারণ মানুষের সম্পদ রক্ষা করা
আইনশৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা
পুলিশের উপর মানুষের আস্থা নাই সেনা বাহিনী যদি আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করতে ব্যর্থ হলে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বও বিপন্ন হবে।
নিউজ ডেস্ক 









