নিউজ ডেস্ক :: চট্টগ্রামে ভারতীয় হাইকমিশনে হামলার সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন জঙ্গীকে আটক করার পর খুলসী থানা থেকে তাদের মুক্তি দিতে লস্কর-ই-তাইয়্যাবার প্রধান হারুন সরাসরি হস্তক্ষেপ করেছেন। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হারুন স্থানীয় থানায় হাজির হয়ে অভিযুক্তদের মুক্তির জন্য চাপ সৃষ্টির চেষ্টা চালিয়েছিলেন।
নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি শুধু স্থানীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ নয়, আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে। হারুনের নেতৃত্বাধীন সন্ত্রাসী সংগঠন স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর প্রভাব বিস্তার করছে, যা জঙ্গী তৎপরতার নতুন মাত্রা নির্দেশ করে।
প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, আটককৃতদের নিরাপত্তা এবং আইনি প্রক্রিয়ার যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে কড়া নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। তবে হারুনের মতো শক্তিশালী জঙ্গী নেতাদের সরাসরি হস্তক্ষেপ প্রশাসনের জন্য সতর্কতার সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, চট্টগ্রাম ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুনর্মূল্যায়ন এবং তৎপরতা বৃদ্ধির প্রয়োজন। জঙ্গী সংগঠনগুলো স্থানীয় নয়, আন্তর্জাতিক সমর্থন ব্যবহার করে তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে, যা দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য দীর্ঘমেয়াদী হুমকি তৈরি করছে।
এদিকে, রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা দাবি করছেন, হারুনের ওপর এখনই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। তারা প্রশ্ন তুলছেন, ভারতীয় হাইকমিশনের লক্ষ্যবস্তু হামলার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকা সত্ত্বেও কেন সরকারের পক্ষ থেকে হারুনকে গ্রেফতারের কোনো নির্দেশনা আসেনি। অনেকে মনে করছেন, বর্তমান প্রশাসন ও সরকারের অমন কার্যক্রমে জঙ্গীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।
বিশেষজ্ঞরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছেন, লস্কর-ই-তাইয়্যাবার প্রধান হারুনকে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হোক, যাতে চট্টগ্রাম ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশে নিরাপত্তার শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয় এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সম্পর্কেও প্রভাবশালী সংকট এড়ানো যায়।
সুজিত চন্দ্র 









