বাংলাদেশে ULFA প্রধান পরেশ বড়ুয়াকে পুনর্বাসনের চেষ্টা? পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ

ডেস্ক রিপোর্ট:
বাংলাদেশে নিষিদ্ধ সশস্ত্র সংগঠন ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অব আসাম (ULFA)-র প্রধান পরেশ বড়ুয়াকে পুনর্বাসনের চেষ্টা চালাচ্ছে পাকিস্তান—এমনই দাবি উঠেছে গোয়েন্দা সূত্র উদ্ধৃত সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে।
রিপোর্টে বলা হয়েছে, পাকিস্তান নাকি ULFA প্রধান Paresh Baruah-কে বাংলাদেশে পুনরায় সক্রিয় করার কৌশল নিয়ে কাজ করছে। যদিও এ বিষয়ে এখনো কোনো সরকারি পর্যায়ের নিশ্চিতকরণ আসেনি।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের কোনো উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে উত্তর-পূর্ব ভারতের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নতুন করে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে অস্থিরতা ও বিচ্ছিন্নতাবাদী তৎপরতা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
উল্লেখ্য, অতীতে বাংলাদেশের সহযোগিতায় উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন উগ্রপন্থী নেটওয়ার্ক দমনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপটে নতুন করে এমন অভিযোগ সামনে আসা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
সূত্র জানায়, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা সংস্থাগুলো। প্রয়োজনে কূটনৈতিক পর্যায়ে বিষয়টি উত্থাপনের প্রস্তুতিও রয়েছে বলে ইঙ্গিত মিলেছে।
তবে সরকারি বিবৃতি না আসা পর্যন্ত পুরো বিষয়টিকে সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

Tag :

কমেন্ট করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

Glorifying War Criminals in an Illegal Parliament During the Month of Independence: A Shameful Chapter in History and an Ultimate Act of National Betrayal

বাংলাদেশে ULFA প্রধান পরেশ বড়ুয়াকে পুনর্বাসনের চেষ্টা? পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ

Update Time : 07:05:12 am, Saturday, 27 December 2025

ডেস্ক রিপোর্ট:
বাংলাদেশে নিষিদ্ধ সশস্ত্র সংগঠন ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অব আসাম (ULFA)-র প্রধান পরেশ বড়ুয়াকে পুনর্বাসনের চেষ্টা চালাচ্ছে পাকিস্তান—এমনই দাবি উঠেছে গোয়েন্দা সূত্র উদ্ধৃত সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে।
রিপোর্টে বলা হয়েছে, পাকিস্তান নাকি ULFA প্রধান Paresh Baruah-কে বাংলাদেশে পুনরায় সক্রিয় করার কৌশল নিয়ে কাজ করছে। যদিও এ বিষয়ে এখনো কোনো সরকারি পর্যায়ের নিশ্চিতকরণ আসেনি।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের কোনো উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে উত্তর-পূর্ব ভারতের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নতুন করে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে অস্থিরতা ও বিচ্ছিন্নতাবাদী তৎপরতা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
উল্লেখ্য, অতীতে বাংলাদেশের সহযোগিতায় উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন উগ্রপন্থী নেটওয়ার্ক দমনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপটে নতুন করে এমন অভিযোগ সামনে আসা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
সূত্র জানায়, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা সংস্থাগুলো। প্রয়োজনে কূটনৈতিক পর্যায়ে বিষয়টি উত্থাপনের প্রস্তুতিও রয়েছে বলে ইঙ্গিত মিলেছে।
তবে সরকারি বিবৃতি না আসা পর্যন্ত পুরো বিষয়টিকে সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।