আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন নয়, তাহলেই রণক্ষেত্র

  • Reporter Name
  • Update Time : 06:50:56 am, Wednesday, 31 December 2025
  • 116 Time View

নিউজ ডেস্ক :: আজ আর রাখঢাকের সুযোগ নেই। বাস্তবতা নির্মম ও স্পষ্ট—আওয়ামী লীগ ছাড়া এদেশে নির্বাচন এখন কার্যত অসম্ভব। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের আগে যদি নির্বাচন হতো, তখন হয়তো এই কথাটি বলা যেত না। কিন্তু আজ সময়, পরিস্থিতি এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে জনগণের মন—সবই বদলে গেছে। এখন নির্দ্বিধায় বলা যায়, আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে নির্বাচন মানেই অস্থিতিশীলতা।
এই বাস্তবতার প্রধান কারণ তথাকথিত ইউনুস সরকারের লাগামহীন ব্যর্থতা। রাষ্ট্র পরিচালনায় অযোগ্যতা, দিকহীন সিদ্ধান্ত এবং কার্যকর নেতৃত্বের অভাব দেশের মানুষ প্রতিদিন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে। অর্থনীতি চাপে, আইনশৃঙ্খলা নড়বড়ে, প্রশাসন নিষ্ক্রিয়—কোথাও দৃশ্যমান সাফল্য নেই। মানুষ তাই তুলনা করছে—একটি সরকার কীভাবে দেশ চালাত, আর বর্তমান সরকার কীভাবে দেশকে অচল করে রেখেছে।
গত ১৫ বছরে মানুষ শুধু একটি সরকার দেখেনি, তারা একটি স্বপ্ন দেখেছিল। উন্নয়ন, অবকাঠামো, বিদ্যুৎ, যোগাযোগ, ডিজিটাল বাংলাদেশ—সব মিলিয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশকে নিয়ে একটি সুস্পষ্ট মিশন ও ভিশন জনগণ প্রত্যক্ষ করেছে। আজ সেই নেতৃত্ব অনুপস্থিত, কিন্তু বিকল্পদের কাজ মানুষ নিজ চোখে দেখছে। আর সেই দেখাতেই স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হচ্ছে।
বর্তমান সরকারের আশীর্বাদপুষ্ট শক্তিগুলো—বিএনপি ও জামায়াতপন্থীরা—নিজেদের আচরণেই মানুষকে আরও শঙ্কিত করেছে। চাঁদাবাজি, দখলবাজি, বিশৃঙ্খলা ও হুমকির অভিযোগ এখন আর রাজনৈতিক বক্তব্য নয়, এটি জনজীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা। মানুষ স্পষ্ট বুঝে গেছে, এরা ক্ষমতায় এলে দেশ কোন পথে যাবে।
এই কারণেই আজ জনগণ আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে কোনো নির্বাচনের কথা ভাবছে না। কারণ রাজনীতি আবেগে চলে না—রাজনীতি চলে বিশ্বাস ও সক্ষমতায়। আর তথাকথিত বিকল্প শক্তিগুলো সেই সক্ষমতা প্রমাণে চরমভাবে ব্যর্থ।
আজ আওয়ামী লীগের প্রতি আস্থা ফিরছে প্রচারণায় নয়, বরং বিকল্পের ব্যর্থতায়। মানুষ কাজ দেখে সিদ্ধান্ত নেয়। তারা দেখেছে—কে দেশ চালাতে পারে, আর কে পারে না।
এই বাস্তবতায় আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন মানে হবে একটি অকার্যকর, অগ্রহণযোগ্য এবং সংঘাতমুখী রাজনৈতিক প্রহসন—যার পরিণতি হবে অস্থিরতা, অনিশ্চয়তা, এমনকি রণক্ষেত্র।
এটা কোনো দলের বক্তব্য নয়—এটা জনগণের উপলব্ধি।
রাজনীতির শেষ কথা জনগণই বলে।
আর জনগণের মন এখন একটাই কথা বলছে—
আওয়ামী লীগ ছাড়া এই দেশে টেকসই রাজনীতি ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়।

Tag :

কমেন্ট করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

Glorifying War Criminals in an Illegal Parliament During the Month of Independence: A Shameful Chapter in History and an Ultimate Act of National Betrayal

আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন নয়, তাহলেই রণক্ষেত্র

Update Time : 06:50:56 am, Wednesday, 31 December 2025

নিউজ ডেস্ক :: আজ আর রাখঢাকের সুযোগ নেই। বাস্তবতা নির্মম ও স্পষ্ট—আওয়ামী লীগ ছাড়া এদেশে নির্বাচন এখন কার্যত অসম্ভব। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের আগে যদি নির্বাচন হতো, তখন হয়তো এই কথাটি বলা যেত না। কিন্তু আজ সময়, পরিস্থিতি এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে জনগণের মন—সবই বদলে গেছে। এখন নির্দ্বিধায় বলা যায়, আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে নির্বাচন মানেই অস্থিতিশীলতা।
এই বাস্তবতার প্রধান কারণ তথাকথিত ইউনুস সরকারের লাগামহীন ব্যর্থতা। রাষ্ট্র পরিচালনায় অযোগ্যতা, দিকহীন সিদ্ধান্ত এবং কার্যকর নেতৃত্বের অভাব দেশের মানুষ প্রতিদিন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে। অর্থনীতি চাপে, আইনশৃঙ্খলা নড়বড়ে, প্রশাসন নিষ্ক্রিয়—কোথাও দৃশ্যমান সাফল্য নেই। মানুষ তাই তুলনা করছে—একটি সরকার কীভাবে দেশ চালাত, আর বর্তমান সরকার কীভাবে দেশকে অচল করে রেখেছে।
গত ১৫ বছরে মানুষ শুধু একটি সরকার দেখেনি, তারা একটি স্বপ্ন দেখেছিল। উন্নয়ন, অবকাঠামো, বিদ্যুৎ, যোগাযোগ, ডিজিটাল বাংলাদেশ—সব মিলিয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশকে নিয়ে একটি সুস্পষ্ট মিশন ও ভিশন জনগণ প্রত্যক্ষ করেছে। আজ সেই নেতৃত্ব অনুপস্থিত, কিন্তু বিকল্পদের কাজ মানুষ নিজ চোখে দেখছে। আর সেই দেখাতেই স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হচ্ছে।
বর্তমান সরকারের আশীর্বাদপুষ্ট শক্তিগুলো—বিএনপি ও জামায়াতপন্থীরা—নিজেদের আচরণেই মানুষকে আরও শঙ্কিত করেছে। চাঁদাবাজি, দখলবাজি, বিশৃঙ্খলা ও হুমকির অভিযোগ এখন আর রাজনৈতিক বক্তব্য নয়, এটি জনজীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা। মানুষ স্পষ্ট বুঝে গেছে, এরা ক্ষমতায় এলে দেশ কোন পথে যাবে।
এই কারণেই আজ জনগণ আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে কোনো নির্বাচনের কথা ভাবছে না। কারণ রাজনীতি আবেগে চলে না—রাজনীতি চলে বিশ্বাস ও সক্ষমতায়। আর তথাকথিত বিকল্প শক্তিগুলো সেই সক্ষমতা প্রমাণে চরমভাবে ব্যর্থ।
আজ আওয়ামী লীগের প্রতি আস্থা ফিরছে প্রচারণায় নয়, বরং বিকল্পের ব্যর্থতায়। মানুষ কাজ দেখে সিদ্ধান্ত নেয়। তারা দেখেছে—কে দেশ চালাতে পারে, আর কে পারে না।
এই বাস্তবতায় আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন মানে হবে একটি অকার্যকর, অগ্রহণযোগ্য এবং সংঘাতমুখী রাজনৈতিক প্রহসন—যার পরিণতি হবে অস্থিরতা, অনিশ্চয়তা, এমনকি রণক্ষেত্র।
এটা কোনো দলের বক্তব্য নয়—এটা জনগণের উপলব্ধি।
রাজনীতির শেষ কথা জনগণই বলে।
আর জনগণের মন এখন একটাই কথা বলছে—
আওয়ামী লীগ ছাড়া এই দেশে টেকসই রাজনীতি ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়।