নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোয় তাসনিম জারার কাছে ডোনেশনের টাকা ফেরত চাচ্ছেন অনুদানকারীরা

দিনপত্র ডেস্ক ::নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর পর তাসনিম জারার কাছে নির্বাচনী খরচের জন্য দেওয়া ডোনেশনের টাকা ফেরত চাচ্ছেন একাধিক অনুদানকারী। সংশ্লিষ্টদের দাবি, নির্বাচন পরিচালনার উদ্দেশ্যেই তারা অর্থ সহায়তা করেছিলেন। যেহেতু তাসনিম জারা আর নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না, তাই সেই অর্থ ফেরত দেওয়ার নৈতিক দায় তার রয়েছে।
অনুদানকারীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ পর্যন্ত অন্তত ২০ জন ব্যক্তি সরাসরি টাকা ফেরত চেয়েছেন। তাদের বক্তব্য, প্রচারণা, পোস্টার, সভা কিংবা অন্যান্য নির্বাচনী কার্যক্রমে ব্যয় করার জন্যই তারা অনুদান দিয়েছিলেন। নির্বাচন না হলে সেই অর্থ রাখার কোনো যৌক্তিকতা নেই।
অভিযোগ রয়েছে, টাকা ফেরত চেয়ে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাসনিম জারা কারও ফোন রিসিভ করছেন না। এক অনুদানকারী নাসিমা জানান, টাকা ফেরত চাওয়ার বিষয়ে যোগাযোগ করলে তাসনিম জারা তাকে বলেছেন—অনুদানের টাকা ইতোমধ্যে খরচ হয়ে গেছে।
এ বিষয়ে অনুদানকারীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে। তারা বলছেন, ব্যক্তিগত প্রয়োজনে নয়, বরং একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তারা অর্থ দিয়েছিলেন। সেই উদ্দেশ্য পূরণ না হওয়ায় অর্থ ফেরত পাওয়াটাই স্বাভাবিক দাবি।
তবে এ বিষয়ে তাসনিম জারার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর বিষয়ে তার অবস্থান জানা গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Tag :

কমেন্ট করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

Glorifying War Criminals in an Illegal Parliament During the Month of Independence: A Shameful Chapter in History and an Ultimate Act of National Betrayal

নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোয় তাসনিম জারার কাছে ডোনেশনের টাকা ফেরত চাচ্ছেন অনুদানকারীরা

Update Time : 08:44:49 am, Monday, 5 January 2026

দিনপত্র ডেস্ক ::নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর পর তাসনিম জারার কাছে নির্বাচনী খরচের জন্য দেওয়া ডোনেশনের টাকা ফেরত চাচ্ছেন একাধিক অনুদানকারী। সংশ্লিষ্টদের দাবি, নির্বাচন পরিচালনার উদ্দেশ্যেই তারা অর্থ সহায়তা করেছিলেন। যেহেতু তাসনিম জারা আর নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না, তাই সেই অর্থ ফেরত দেওয়ার নৈতিক দায় তার রয়েছে।
অনুদানকারীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ পর্যন্ত অন্তত ২০ জন ব্যক্তি সরাসরি টাকা ফেরত চেয়েছেন। তাদের বক্তব্য, প্রচারণা, পোস্টার, সভা কিংবা অন্যান্য নির্বাচনী কার্যক্রমে ব্যয় করার জন্যই তারা অনুদান দিয়েছিলেন। নির্বাচন না হলে সেই অর্থ রাখার কোনো যৌক্তিকতা নেই।
অভিযোগ রয়েছে, টাকা ফেরত চেয়ে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাসনিম জারা কারও ফোন রিসিভ করছেন না। এক অনুদানকারী নাসিমা জানান, টাকা ফেরত চাওয়ার বিষয়ে যোগাযোগ করলে তাসনিম জারা তাকে বলেছেন—অনুদানের টাকা ইতোমধ্যে খরচ হয়ে গেছে।
এ বিষয়ে অনুদানকারীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে। তারা বলছেন, ব্যক্তিগত প্রয়োজনে নয়, বরং একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তারা অর্থ দিয়েছিলেন। সেই উদ্দেশ্য পূরণ না হওয়ায় অর্থ ফেরত পাওয়াটাই স্বাভাবিক দাবি।
তবে এ বিষয়ে তাসনিম জারার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর বিষয়ে তার অবস্থান জানা গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।